মুজিব থেকে বঙ্গবন্ধু | সময় বিচিত্রা
মুজিব থেকে বঙ্গবন্ধু
সময় বিচিত্রা
17_16

ফরিদপুর জেলার গোপালগঞ্জের পাটগাতী ইউনিয়নের টুঙ্গিপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ সন্তান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান

 

বাবা শেখ লুৎফর রহমান ও মা সায়েরা খাতুনচার মেয়ে ও দুই ছেলের সংসারে মুজিব ছিলেন তৃতীয়তার বড় বোন ফাতেমা বেগম, মেজ বোন আছিয়া বেগম, সেজ বোন হেলেন ও ছোট বোন লাইলী; ছোট ভাই শেখ আবু নাসের১৯২৭ সালে শেখ মুজিব গিমাডাঙ্গা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়াশোনা শুরু করেননয় বছর বয়সে ১৯২৯ সালে গোপালগঞ্জ পাবলিক স্কুলে ভর্তি হন এবং এখানেই ১৯৩৪ সাল পর্যন্ত পড়াশোনা করেন১৯৩৭ সালে গোপালগঞ্জ মাথুরানাথ ইনস্টিটিউট মিশন স্কুলে সপ্তম শ্রেণীতে ভর্তি হন১৯৩৪ থেকে চার বছর তিনি বিদ্যালয়ের পাঠ চালিয়ে যেতে পারেননিকারণ, তার চোখে জটিল রোগের কারণে সার্জারি করাতে হয়েছিল এবং এ থেকে সম্পূর্ণ সেরে উঠতে বেশ সময় লেগেছিলগোপালগঞ্জ মিশনারি স্কুল থেকে তিনি ম্যাট্রিক পাস করেন

 

১৯৩৮ সালে ১৮ বছর বয়সে তার সঙ্গে ফজিলাতুন্নেছার বিয়ে হয়এই দম্পতির ঘরে দুই মেয়ে ও তিন ছেলের জন্ম হয়মেয়েরা হলেন শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানাআর তিন ছেলে শেখ কামাল, শেখ জামাল ও শেখ রাসেলতিন ছেলেই ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট রাতে আততায়ীর হাতে নিহত হন

রাজনৈতিক সূচনা

বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবন শুরু হয় ১৯৩৯ সালে মিশনারি স্কুলে পড়ার সময় থেকেইওই বছর স্কুল পরিদর্শনে এসেছিলেন তদানীন্তন অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক এবং পরবর্তী সময়ে বাংলার প্রধানমন্ত্রীস্কুলের ছাদ সংস্কারের দাবিতে একটি দল নিয়ে শেখ মুজিব তাদের কাছে যান১৯৪০ সালে নিখিল ভারত মুসলিম ছাত্র ফেডারেশনে যোগ দেনসেখানে তিনি এক বছর মেয়াদের জন্য নির্বাচিত হন১৯৪২ সালে এন্ট্রান্স পাস করার পর কলকাতা ইসলামিয়া কলেজে (বর্তমান নাম মাওলানা আজাদ কলেজ) আইন পড়ার জন্য ভর্তি হনকলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত এই কলেজ তখন বেশ নামকরা ছিলএই কলেজ থেকে সক্রিয়ভাবে ছাত্ররাজনীতি শুরু করেন১৯৪৩ সালে তিনি বেঙ্গল মুসলিম লীগে যোগ দেন এবং অগ্রণী বাঙালি মুসলিম নেতা হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর সান্নিধ্যে আসেনএখানে তার ছাত্র আন্দোলনের মুখ্য বিষয় ছিল একটি পৃথক মুসলিম রাষ্ট্র হিসেবে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার জন্য আন্দোলন১৯৪৩ সালে তিনি বঙ্গীয় মুসলিম লীগের কাউন্সিলর নির্বাচিত হন

১৯৪৪ সালে বর্তমান বাংলাদেশের কুষ্টিয়ায় নিখিল বঙ্গ মুসলিম ছাত্রলীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়এই সম্মেলনে শেখ মুজিব বিশেষ ভূমিকা পালন করেনতিনি কলকাতায় বসবাসকারী ফরিদপুরবাসীদের সংগঠন ফরিদপুর ডিস্ট্রিক্ট অ্যাসোসিয়েশন’-এর সেক্রেটারি মনোনীত হনএর দুই বছর পর ইসলামিয়া কলেজ ছাত্র ইউনিয়নের মহাসচিব নির্বাচিত হন১৯৪৭ সালে অর্থাৎ দেশ বিভাগের বছর মুজিব কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ইসলামিয়া কলেজ থেকে বিএ ডিগ্রি লাভ করেন

 

পাকিস্তান-ভারত পৃথক হয়ে যাওয়ার পর শেখ মুজিব পূর্ব পাকিস্তানে ফিরে এসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে ভর্তি হন১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠা করেন পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্রলীগ

বঙ্গবন্ধুর সাতই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ

 

এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম

ঐতিহাসিক ভাষণে বঙ্গবন্ধুর সে ডাকেই একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে জাতিনয় মাসের সশস্ত্র যুদ্ধে ৩০ লাখ শহীদের আত্মদান, আড়াই লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমহানি ও সমগ্র জাতির বিশাল ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত হয় স্বাধীনতা

সেদিন ঢাকা ছিল মিছিলের শহরঢাকা ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে সব মিছিলই এসে থামে রমনা রেসকোর্স ময়দানেরেসকোর্স রূপ নেয় জনসমুদ্রেধর্ম-বর্ণ-গোত্রনির্বিশেষে লাখো মানুষে সয়লাব হয়ে যায় বিশাল ময়দানবাতাসে উড়ে বাংলার মানচিত্র আঁকা লাল সূর্যের অসংখ্য পতাকাআকাশে উত্থিত বাঁশের লাঠির সঙ্গে লাখো কণ্ঠের সেøাগানে কেঁপে উঠে জনসমুদ্র, শহর

ঘড়ির কাঁটায় তখন বিকেল ৩টা ২০ মিনিটসাদা পায়জামা-পাঞ্জাবি আর হাতাকাটা কালো দজহরদ/// কোট পরে বাঙালির প্রাণপুরুষ বঙ্গবন্ধু দৃপ্ত পায়ে ওঠেন মঞ্চেদাঁড়ান মাইকের সামনেজানিয়ে দেন তার ঐতিহাসিক ভাষণ

রেসকোর্স ময়দান থেকে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ সরাসরি প্রচারের সমস্ত আয়োজন ছিল রেডিও পাকিস্তান ঢাকা কেন্দ্রেরপ্রচার শুরুও হয়েছিলকিন্তু সামরিক কর্তৃপক্ষ প্রচার বন্ধ করে দিলে বেতারের সমস্ত বাঙালি কর্মচারী বেতার ছেড়ে বেরিয়ে আসেনবন্ধ হয়ে যায় বেতারঢাকার বাইরে ছড়িয়ে পড়ে নানা গুজবগভীর রাতে অবশ্য সামরিক কর্তৃপক্ষ বঙ্গবন্ধুর পূর্ণ ভাষণ সম্প্রচারের অনুমতি দেয়

 

 

মূল ঘোষণা

এটাই হয়তো আমার শেষ বার্তা, আজ থেকে বাংলাদেশ স্বাধীনআমি বাংলাদেশের মানুষকে আহ্বান জানাই, আপনারা যেখানেই থাকুন, আপনাদের সর্বস্ব দিয়ে দখলদার সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে শেষ পর্যন্ত প্রতিরোধ চালিয়ে যানবাংলাদেশের মাটি থেকে সর্বশেষ পাকিস্তানি সৈন্যটিকে উৎখাত করা এবং চূড়ান্ত বিজয় অর্জনের আগ পর্যন্ত আপনাদের যুদ্ধ অব্যাহত থাকুক

মুজিবকে গ্রেপ্তার করে পশ্চিম পাকিস্তানে নিয়ে যাওয়া হয় এবং ফয়সালাবাদের একটি জেলে কড়া নিরাপত্তায় রাখা হয়পাকিস্তানি জেনারেল রহিমুদ্দিন খান মুজিবের মামলা পরিচালনা করেনমামলার আসল কার্যপ্রণালি এবং রায় কখনোই জনসমক্ষে প্রকাশ করা হয়নি

বাংলাদেশের শাসন

শেখ মুজিবুর রহমান অল্পদিনের জন্য অন্তর্র্বর্তীকালীন রাষ্ট্রপতি ছিলেন এবং পরবর্তী সময়ে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন১৯৭০ সালে নির্বাচিত রাজনীতিবিদেরা নতুন রাষ্ট্রের অন্তর্র্বর্তী সংসদ গঠন করেনমুক্তিবাহিনী এবং অন্য মিলিশিয়াদের নিয়ে নতুন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী গঠিত হয় এবং ১৭ মার্চ ভারতীয় বাহিনীর কাছ থেকে ক্ষমতা বুঝে নেয়

 

১৫ আগস্ট : শোক নয় শক্তি

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নিহত হওয়ার পর ঘটনাস্থল ধানমন্ডির বাড়িসহ আরও দুটি বাড়িতে গিয়েছিলেন তিনিআগ্নেয়াস্ত্রের বুলেটে ক্ষত-বিক্ষত লাশ এবং সেগুলো দাফন করার দায়িত্ব পালন করে সে সময়ের ঢাকা সেনানিবাসের স্টেশন হেডকোয়ার্টার্সে কর্মরত স্টাফ অফিসার আলাউদ্দিন আহমেদ একটি প্রতিবেদন জমা দিয়েছিলেন নিজের দপ্তরে

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের বিয়োগান্ত ঘটনা সম্পর্কে মেজর আলাউদ্দিনের ইংরেজিতে লিখিত সেই প্রতিবেদনের বাংলা অনুবাদ এখানে প্রকাশিত হলো :

১৫ আগস্ট ১৯৭৫ সালের ঘটনায় নিহতদের অবস্থা ও দাফন-কাফন :

১৯৭৫ সালের ১৬ আগস্ট রাত তিনটায় ঢাকা সেনানিবাসের স্টেশন কমান্ডারের আদেশে আমি প্রয়াত শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়ি যাইস্টেশন কমান্ডার আগেই পৌঁছে গিয়েছিলেনমেজর বজলুল হুদা ও তার লোকজন পাহারা দিচ্ছিলেন বাড়িটিহুদা আমাকে প্রথমে বাধা দিলেও পরে ঢোকার অনুমতি দেন

সড়ক নম্বর ৩২, শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়ি : সব লাশ সিঁড়ির গোড়ায় আনা হলোরাখা হলো কাঠের কফিনেবরফ আনা হয়েছিলরক্ত, মগজ ও হাড়ের গুঁড়ো ছড়িয়ে-ছিটিয়ে ছিল প্রথম তলার দেয়াল, জানালার কাচ, মেঝে ও ছাদেবাড়ির সব বাসিন্দাকেই খুব কাছে থেকে গুলি করে হত্যা করা হয়গুলির আঘাতে দেয়ালগুলোও ঝাঁঝরা হয়ে যায়গুলির খোসাগুলো মেঝেতে পড়ে ছিলকয়েকটি জানালার কাচ ভেঙে গুঁড়িয়ে যায়চারপাশে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে ছিল ঘরের জিনিসপত্র, গিফটবক্স ও সম্প্রতি অনুষ্ঠিত বিয়েগুলোর উপহারের প্যাকেটপবিত্র কোরআন শরিফও মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখলাম

শেখ মুজিবের বাড়িতে নয়জনকে হত্যা করা হয়েছিললাশগুলো (প্রদত্ত রিপোর্ট মতে) যে অবস্থায় পাওয়া যায়:

শেখ মুজিব : প্রথম তলার সিঁড়ির মাঝখানটায় যে সমতল অংশটি তার তিন-চার ধাপ ওপরেচশমার ভাঙা কাচ ও একটি পাইপ সিঁড়িতে পড়ে ছিল

শেখ কামাল : অভ্যর্থনা কক্ষে

টেলিফোন অপারেটর : অভ্যর্থনা কক্ষে

শেখ নাসের : নিচতলার সিঁড়িসংলগ্ন বাথরুমে

বেগম মুজিব : মূল বেডরুমের সামনে

সুলতানা কামাল : মূল বেডরুমে

শেখ জামাল : মূল বেডরুমে

রোজী জামাল : মূল বেডরুমে

শিশু রাসেল : মূল বেডরুমে, তার দুই ভাবির মাঝখানে বাড়ির সব বাসিন্দাকেই খুব কাছে থেকে গুলি করে হত্যা করা হয়দেখে মনে হচ্ছিল, তাদের সবাই তাৎক্ষণিকভাবে প্রাণ হারান

শেখ মুজিব : প্রথম তলার সিঁড়ির মাঝখানে যে সমতল জায়গাটা তার তিন-চার ধাপ ওপরে একেবারে কাছে থেকে গুলি করে শেখ মুজিবকে খুন করা হয়তার তলপেট ও বুক ছিল বুলেটে ঝাঁঝরাশেখ মুজিব সব সময় চশমা পরতেন এবং তার ধূমপানের অভ্যাস ছিলতার চশমা ও তামাকের পাইপটি সিঁড়িতে পড়ে ছিলপরনে চেক লুঙ্গি ও পাঞ্জাবিচশমার একটি গ্লাস ভাঙারক্তে পাঞ্জাবির রং ছিল গাঢ় লালএকটি বুলেট তার ডান হাতের তর্জনীতে গিয়ে লাগে এবং আঙুলটি প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়

শেখ কামাল : কামালের বুক ও তলপেটে তিন থেকে চারটি বুলেট বিদ্ধ হয়তার পরনে ছিল ট্রাউজারনিচতলায় তাকে খুন করা হয়

টেলিফোন অপারেটর : তাকে নিচতলায় খুন করা হয়

শেখ নাসের : শেখ নাসেরকে খুন করা হয় বাথরুমের কাছেতার হাত উড়ে গিয়েছিলগুলিতে তার দেহের বেশ কিছু স্থান ছিল ক্ষত-বিক্ষততার গায়ে কোনো পোশাক ছিল না এবং লাশ বিছানার চাদরে মোড়ানো ছিল

বেগম মুজিব : বেগম মুজিবকে বুকে ও মুখমণ্ডলে গুলি করা হয়তার পরনে ছিল সুতি শাড়ি এবং কালো রঙের ব্লাউজগলায় মাদুলি বাঁধা একটি সোনার নেকলেসকনিষ্ঠা আঙুলে ছোট্ট একটি আংটিতখনো তার পায়ে ছিল একটি বাথরুম সিøপার!

সুলতানা কামাল : সুলতানা কামালের বুক ও তলপেটে গুলি লাগেপরনে ছিল শাড়ি ও ব্লাউজ

শেখ জামাল : শেখ জামালের মাথা চিবুকের নিচ থেকে উড়ে গিয়েছিলপরনে ট্রাউজারডান হাতের মধ্যমায় ছিল একটি মুক্তার আংটিসম্ভবত এটি ছিল তার বিয়ের আংটি

রোজী জামাল : তার মুখটি দেখাচ্ছিল বিবর্ণ, মলিনমাথার একাংশ উড়ে গিয়েছিলতার তলপেট, বুক ও মাথায় গুলি করা হয়পরনে ছিল শাড়ি ও ব্লাউজ

শিশু রাসেল : সম্ভবত আগুনে তার পা ঝলসে যায়মাথা উড়ে গিয়েছিলপরনে ছিল হাফপ্যান্টলাশ একটি লুঙ্গিতে মোড়ানো ছিল

মেঝেতে ছড়ানো-ছিটানো ছিল সম্প্রতি অনুষ্ঠিত জামাল ও কামালের বিয়ের অনেক উপহারসামগ্রী এবং গিফট প্যাকেটকিছু বাক্স ছিল ফাঁকাকামালের কক্ষে রুপার তৈরি অনেক জিনিসপত্র দেখা যায়সিঁড়িতে ছিল আল্পনা আঁকাঅভ্যর্থনা কক্ষটি ছিল নোংরাআমি ওপরতলা থেকে শুনলাম, নিচতলায় হুদা চিৎকার করছেনতিনি এ বাড়ি থেকে কিছু জিনিসপত্র চুরি করায় কয়েকজন সিপাহিকে গালাগাল দিচ্ছিলেন

সড়ক নম্বর ১৩/১, ধানমন্ডি, শেখ মনির বাড়ি : মনি ও তার সন্তানসম্ভবা স্ত্রীকে তাদের এই বাড়িতে খুন করা হয়তাদের বাড়ির দিকে সেনাবাহিনীর গাড়িআসতে দেখে কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যরা দায়িত্ব ছেড়ে সরে যানবাড়িটি ছিল আংশিক তছনছ করামেঝেতে স্পষ্ট রক্তের দাগমাঝের টেবিলে একটি অ্যালুমিনিয়ামের বাটিতে কিছু ভিজানো চিড়া

৩৭ মিন্টো রোড, আবদুর রব সেরনিয়াবাতের বাড়ি : মন্ত্রীর বাড়িটি ছিল ফাঁকাড্রয়িংরুমজুড়ে দেখা গেল জমাট বাঁধা রক্তবাড়ির নিরাপত্তা পুলিশ আগেই পালিয়ে গিয়েছিল!

সেরনিয়াবাত ও শেখ মনি এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের লাশ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গ থেকে সংগ্রহ করা হয়লাশগুলো ছিল বিকৃততাপ ও আর্দ্রতা লাশের ক্ষতি করেলাশ থেকে দুর্গন্ধ বেরোচ্ছিলবনানী গোরস্তানে দাফনের জন্য লাশগুলো সেনানিবাসে নিয়ে আসা হলোবঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের লাশ ছাড়া ৩২ নম্বর সড়কের অন্য সবার লাশও আরেকটি ট্রাকে করে সেখানে আনা হয়


আপনাদের মতামত দিন:


সকল খবর
চলমান প্রচ্ছদ