জনগণ নয়, এরশাদ/জামায়াত চায়! | সময় বিচিত্রা
জনগণ নয়, এরশাদ/জামায়াত চায়!
মোহাম্মদ সাইফুল আলম চৌধুরী
21

একসাথে চার সিটি করপোরেশনে ভরাডুবির পর গাজীপুরেও হারল ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ৷ এ খবর এখন পুরোনোই হয়ে গেছে বলতে হবে৷ অনেক জল্পনা-কল্পনার পর নিজেদের ‘দ্বিতীয় দুর্গ’ বলে পরিচিত গাজীপুরে শোচনীয় হারের পর খোদ আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরাই এখন আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে নিজেদের ভবিষ্যত্‍ নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েছেন৷ চার বছর আগে যে দলটিকে দেশের জনগণ নিরঙ্কুশভাবে বিজয়ী করেছিল, তাদেরকেই ছুড়ে ফেলতে শুরু করেছে চোখের পলকে৷ সাংবিধানিকভাবে সকল ক্ষমতার উত্‍স হলেও বাস্তবে আমাদের দেশের জনগণের হাতে একবারই ক্ষমতা থাকে৷ সেটি তারা প্রয়োগ করতে পারে ভোটের সময়৷ একটি সিল দিয়ে বুঝিয়ে দেয় কোন দল ঠিক করেছে, আর কোন দল ভুল পথে হাঁটছে৷ জনস্বার্থকে বাঁচানোর তাগিদে তারা দলীয় ও ব্যক্তিগত স্বার্থবাজদের এভাবে বয়কট করে৷

পরপর পাঁচটি সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে ইতোমধ্যে অনেকে অনেক মত ব্যক্ত করেছেন৷ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রতিনিয়ত নানা বিশ্লেষণ ও মতামত প্রকাশিত এবং প্রচারিত হচ্ছে৷ একটি লক্ষণীয় ইতিবাচক দিক হলো, একটি দলীয় সরকারের অধীনে পাঁচ-পাঁচটি সিটি নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে৷ এ জন্য আওয়ামী লীগ অবশ্যই প্রশংসা পাওয়ার দাবি রাখে৷ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক ধারা বজায় রাখার যে চ্যালেঞ্জ নিয়েছেন, তাতে তিনি প্রাথমিকভাবে সফল৷ সেদিক থেকে বিএনপি ও ১৮ দলীয় জোট তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে যে আন্দোলন করে আসছিল, তাতে কিছুটা ভাটা পড়েছে বলেই আপাতদৃষ্টিতে মনে হচ্ছে৷ দ্বিতীয় ইতিবাচক দিক হলো, বর্তমান নির্বাচন কমিশন দায়িত্ব নেওয়ার পর বেশ ভালো ও পারদর্শিতার সাথে তাদের প্রাথমিক দায়িত্ব সম্পন্ন করেছে৷ বলা যায়, একটি ভালো শুরু তারা করতে পেরেছে৷

কিন্তু চাঁদের যেমন কলঙ্ক থাকে, তেমনি সব ভালোর কিছু খারাপ দিক থাকে৷ এই পাঁচ সিটি নির্বাচনে আমাদের জাতীয় রাজনীতির কিছু দৈন্যদশা স্পষ্ট হয়ে গেছে৷ যতই নিরপেক্ষ ও স্থানীয় বলা হোক না কেন, এখন আমাদের দেশের সব রাজনীতি দু’দল কিংবা দুই জোটভিত্তিক হয়ে গেছে৷ এটা যেমন জাতীয় নির্বাচনে, তেমনি স্থানীয় সরকার নির্বাচনে; এমনকি খোদ ছোটখাটো স্বায়ত্তশাসিত কিংবা সংগঠনের ৰেত্রেও সত্যি৷ ১৯৯৬ সাল থেকে এ দেশের জাতীয় পর্যায়ে ভোটের রাজনীতি মূলত দুই জোটভিত্তিক হয়ে দাঁড়িয়েছে৷ অবশ্য ইতিহাস অনুযায়ী, এ ধারা শুরু হয়েছে দেশ বিভাগের পর ৫৪-র নির্বাচনে৷ কিন্তু তখনকার প্রেক্ষাপট ছিল ভিন্ন৷ জোটভিত্তিক রাজনীতিতে আওয়ামী লীগ এরশাদের জাতীয় পার্টি আর বামপন্থী দলগুলোকে নিয়ে, অন্যদিকে বিএনপি স্বাধীনতাবিরোধী জামায়াত ও ইসলামি সমমনা দলগুলোকে নিয়ে ঐক্য গড়ে তুলেছে৷ জোটভিত্তিক রাজনীতিতে একদিকে জামায়াত, অন্যদিকে এরশাদ এখন এতটাই মুখ্য বিবেচ্য হয়ে গেছে যে দুই প্রধান দল সব ধরনের আদর্শকে জলাঞ্জলি দিয়ে দুই সহযোগীর আশীর্বাদ পেতে মুখিয়ে থাকছে৷ সব শেষ গাজীপুরের নির্বাচনে এরশাদের আশীর্বাদ ও তার দলের সমর্থন পাওয়ার জন্য যে নাটক দু’দলের পক্ষ থেকে দেশবাসী দেখেছে, তা নব্বইয়ের গণ-অভু্যত্থানের শহীদদের পরিবারের জন্য শুধু দুঃখের নয়, গ্লানির ও লজ্জার৷ নব্বইয়ের পর থেকে সাধারণ নির্বাচনের ভোটের হিসাব দেখলে বোঝা যায়, জাতীয় পার্টি ও জামায়াতে ইসলামী প্রায় সমান ভোট পেয়ে থাকে৷ এ দুই দলের ভোটাররা একেবারেই দলীয় সমর্থক, খুব বেশি ভাসমান ভোটারদের ভোট এরা পায় না৷ সে কারণে প্রধান দু’দলের কাছে এই দুটি দল নির্বাচনীয় বৈতরণি পার করার একটি বড় নিয়ামক হিসেবে কাজ করে৷ এক দল স্বাধীনতার মহান আদর্শকে জলাঞ্জলি দেয় আরেক দল গণতন্ত্রের আদর্শকে ভূলুন্ঠিত করে৷ এক দল স্বৈরাচারের সঙ্গে, আরেক দল রাজাকারের সঙ্গে গভীর সখ্য গড়ে তুলেছে৷ আর আমরা যারা সাধারণ জনগণ, যাদের কাছে কোনো বিকল্প নেই, তারা একবার একজনকে ভোট দিয়ে প্রকারান্তরে স্বাধীনতাবিরোধী আর গণতন্ত্র বিরোধীদেরই নির্বাচিত করি৷ দল ও জোটভিত্তিক রাজনীতির চাপে পিষ্ট হয়ে এ দেশের জনগণের আর কোনো উপায় নেই৷

গাজীপুর সিটি নির্বাচনে দু’দলের মধ্যে আরেকটি টানাটানির উল্লেখযোগ্য বিষয় ছিল হেফাজত৷ দু’দলই হেফাজতকে কাছে পেতে ছিল মরিয়া৷ ভোটের রাজনীতিতে জেতার জন্য সব ধরনের আপসকামিতার এ মানসিকতার সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী এ দেশের জনগণ৷ আপসকামিতা এতটাই প্রকট যে এখন আর নীতি, আদর্শ এসব শুধুই কথার কথা হিসেবে দেখা দিয়েছে৷ একদিকে এরশাদ, অন্যদিকে হেফাজত আর জামায়াতের প্রতি দুই প্রধান দলের এই আদিখ্যেতার শেষ তখনই হবে যখন এ দেশ থেকে জাতীয় পার্টি কিংবা জামায়াত বিলীন হবে৷ কারণ এই দুই দলের কোনো একটি বিলীন হলেই প্রতিপক্ষ বড় দলটির কাছে অন্য দলেরও কোনো গুরুত্ব থাকবে বলে মনে হয় না৷ তখন আর জোটভিত্তিক নয়, দলভিত্তিক রাজনীতির চর্চা শুরু হবে৷

অবশ্য এ দেশের রাজনীতিতে নীতি আর আদর্শ যে শুধু টেবিল-বুলি হিসেবে বিবেচ্য তার একটা আলামত ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের বৈশ্বিক জরিপে দেখা গেছে৷ এ জরিপ অনুযায়ী, বাংলাদেশের ৯৩ শতাংশ মানুষের ধারণা, দেশে সর্বোচ্চ দুর্নীতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে রাজনৈতিক দল ও পুলিশ৷ ‘গ্লোবাল করাপশন ব্যারোমিটার ২০১২’ শীর্ষক এ জরিপ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৯০ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করেন, সরকার বিশেষ মহলের (রাজনৈতিক দল বা রাজনৈতিক দলের কর্মী, সমর্থক, বিশেষ ব্যবসায়িক গোষ্ঠী ইত্যাদি) স্বার্থে বিভিন্ন মাত্রায় প্রভাবিত হয়৷ জরিপে বলা হয়েছে, রাজনৈতিক দল, পুলিশ ও বিচারব্যবস্থার পর দুর্নীতিগ্রস্ত খাতের তালিকায় আছে সংসদ বা আইনসভা (৮৮ শতাংশ), সরকারি প্রশাসন (৮৪ শতাংশ), ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান (৮৩ শতাংশ), স্বাস্থ্য ও চিকিত্‍সা (৮১ শতাংশ), গণমাধ্যম (৬০ শতাংশ), শিক্ষা (৫৫ শতাংশ), এনজিও (৩৯ শতাংশ), সামরিক বাহিনী (৩২ শতাংশ) এবং ধর্মীয় সংগঠন (৩২ শতাংশ)৷

বাংলাদেশে রাজনৈতিক দলগুলো দুর্নীতিবাজ কিংবা দুর্নীতিপরায়ণ কিংবা দেশের এত বেশি জনগণ এমনটা ভাবেন এর আগে কখনো এমন মত জানা যায়নি৷ নিঃসন্দেহে এটি উদ্বেগজনক বিষয়৷ কারণ এ দেশের সব গণতান্ত্রিক অর্জনের পুরোধা রাজনৈতিক দলগুলো৷ কিন্তু জনমনে কেন এমন ধারণা হচ্ছে? এ জন্য দায়ী অবশ্যই রাজনীতিবিদ ও রাজনৈতিক দলগুলো৷ অবশ্য রাজনৈতিক নেতারা নিজেদের কোনো দোষ দেখেন না, তারা সব দোষ গণমাধ্যম আর টকশোর ওপরই চাপিয়ে থাকেন৷ তা না হলে এক আবুল পুরো দেশকে আবুল বানালেও, একটি দল নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন করতে না পারলেও তাতে ওই দলের মধ্যে কিংবা ওই দলের শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের মধ্যে কোনো ভাবাবেগ সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে হয় না৷ এখনো লক্কড়ঝক্কড় রাস্তা দেখে যে কারও আবুলের কথা মনে হলেও তিনি সরকারের ভাষায় ‘দেশপ্রেমিক’৷ হল-মার্কের কেলেঙ্কারি যখন ‘তেমন কিছুই’ না বলে দলের অর্থমন্ত্রীর কাছে মনে হয়, কিংবা রেলের কালো বেড়াল থলে থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরও যখন ‘দপ্তরবিহীন’ মন্ত্রী থাকা যায়, তখন জনগণের রাজনৈতিক দল-বিরুদ্ধ ভাবনা অমূলক নয়৷

১৯৯০ সালের পর থেকে অনুষ্ঠিত জাতীয় ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ফলাফলগুলো এবং রাজনৈতিক দলগুলোর আচরণ বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে, এ দেশে ভোটে যে দল বা দলের প্রার্থী বিজয়ী হন তিনি বা তারা কিংবা সংশিস্নষ্ট দল ওই মেয়াদে একধরনের অহমিকা আর গোয়াতুর্মিতে ভোগে৷ আপাতদৃষ্টিতে মনে হয়, ওই দল কিংবা প্রার্থী ছাড়া জনগণের কাছে বিকল্প কোনো পথ নেই৷ পদ্মা সেতুতে দুর্নীতির অভিযোগ, সেতু স্থাপন ভেস্তে যাওয়া, হল-মার্ক ও শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারী, সাগর-রুনির হত্যাকাণ্ড, জিএসপি-সুবিধা বাতিল পুরো দেশকে বিচলিত করলেও এসব বিষয়ে দোষীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে গেছে৷ এমনকি কোনো কোনো ৰেত্রে সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের কর্তাব্যক্তিরা সন্দেহভাজনদের পৰে সাফাইও গেয়েছেন৷ মজার ব্যাপার হলো, সরকারের এমন ব্যর্থতার সুফল কড়ায়-গন্ডায় পায় বিরোধী দল৷ দেশ ও গণতন্ত্রের সুষ্ঠু বিকাশের জন্য কোনো সময়ই বিরোধী দল কোনো ভূমিকা না রাখলেও শুধু সরকারি দলের ব্যর্থতার জন্যই তারা সাফল্য পেয়ে যায়৷ সরকারি দলের কাছে এটা অযৌক্তিক মনে হতে পারে, মনে হতে পারে এটা জনগণের নির্বুদ্ধিতা৷ কিন্তু কখনোই সরকার ভাবে না, এটা জনগণের ৰোভ আর কষ্টের বহিঃপ্রকাশ৷ হল-মার্ক, ডেসটিনির মতো কেলেঙ্কারীর পরও রাষ্ট্রীয় ব্যাংকগুলোর কোনো কিছু না হলেও ব্যক্তিগত আক্রোশের কারণে গ্রামীণ ব্যাংক নিয়ে তেলেসমাতি জনগণের বিরক্তিকে যে আরও বাড়ায়, সেটা বোঝার সাধ্য সরকারের গদিতে থাকলে হয় না৷ রাষ্ট্রের এম্বাসেডর হিসেবে ড. ইউনূসকে যেখানে ব্যবহার করা যেত, সেখানে তাকে সরকারের শত্রু বানানোর যৌক্তিকতা কখনোই ধরা পড়বে না যখন অহমিকা আর গোয়াতুর্মি সরকারকে ছেয়ে ফেলবে৷

এমন ধারা বিগত চারদলীয় জোট সরকারের আমলেও লক্ষ করা গেছে৷ জঙ্গিবাদের উত্থান ও দুর্নীতিবাজদের পৰে সাফাই ২০০১ থেকে ২০০৭ সাল পযর্ন্ত ক্ষমতাসীনরা গেয়েছেন৷ বাংলা ভাই মিডিয়ার সৃষ্টি, ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা আওয়ামী লীগের নাটক এমন প্রলাপ দিয়ে তখন জোট সরকার দেশবাসীকে বোঝানোর চেষ্টা করেছিল৷ কিন্তু ক্ষমতাসীনদের এই ‘চক্ষু বন্ধ রাখিয়া প্রলয় ঠেকানো’র সমুচিত জবাব জনগণ দিয়েছে৷ বিএনপি ও চারদলীয় জোট বিগত জাতীয় সাধারণ নির্বাচনে যে ফল পেয়েছে তা তারা ‘চক্ষু বন্ধ করিয়া’ও ভাবতে পারেনি৷ সৈয়দ আবুল মকসুদ তার একটি নিবন্ধে বলেছেন, ‘বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতির তথা দলীয় রাজনীতির গতি-প্রকৃতি স্বচ্ছ কাচের মতো পরিষ্কার হয়ে গেছে গাজীপুরের নির্বাচনের সময়৷ কি আওয়ামী লীগ, কি বিএনপি, কি জাতীয় পার্টি, কি ১৪-দলীয় জোট, কি ১৮-দলীয় জোট, কি সরকার, কি বিরোধী দল-সবার রাজনীতিই পরিষ্কার হয়ে গেছে৷ সব দলেরই লক্ষ্য এক, জনগণের কাঁধে চড়ে ক্ষমতায় গিয়ে নিজের ভাগ্য গড়ে তোলা এবং জনগণকে বুড়ো আঙুলের কাঁচকলা দেখানো৷’

দুই প্রধান দল এখন এতটাই ক্ষমতালোভী হয়ে উঠেছে নিজেদের শক্তিমত্তার ওপর তাদের কোনো আস্থা নেই, যত আস্থা স্বাধীনতাবিরোধী কিংবা মৌলিবাদী আর স্বৈরাচারী শক্তির ওপর৷ ৫৪-র যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনে শেরেবাংলার সাথে এমন ক্ষমতালোভী কিছু দলের জোট দেখে ভেঙে পড়েছিলেন বঙ্গবন্ধু৷ জেলখানায় বসে লিখেছিলেন, নীতি ও আদর্শের মিল নেই এমন দলগুলোর সাথে ঐক্য করে সাময়িক ফল হয়তো পাওয়া যায়, কিন্তু তাতে দেশ ও জাতির বিরাট ক্ষতি হয়ে যায়৷ স্বাধীনতার পর, বিশেষ করে নব্বইয়ের পর সে ক্ষতি এ দেশের অনেক হয়েছে, এখনো হচ্ছে, যার খেসারত বড় আকারে আর দুই-চার-দশ বছরের মধ্যে আমাদের দিতে হবে৷ গত দুই দশকে প্রধান দু’দলের ক্ষমতাপ্রীতি আর পারস্পরিক অসহিষ্ণুতা ও বৈরিতার খেসারত এ দেশের জনগণ অনেক দিয়েছে৷ পৃথিবীতে আর এমন কোনো দেশ পাওয়া যাবে না যেখানে প্রধান দু’দলের নেতা ২৩ বছরের ধরে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করেন না৷ এ অসহিষ্ণুতার খেসারত তারা দিয়েছেন, জেলও খেটেছেন৷ কিন্তু তাতেও বোধোদয় হয়নি৷


আপনাদের মতামত দিন:


সকল খবর
চলমান প্রচ্ছদ