এরা হাসিনা-খালেদা কাউকেই ছাড়বে না | সময় বিচিত্রা
এরা হাসিনা-খালেদা কাউকেই ছাড়বে না
নাজমুল আশরাফ
1

নাজমুল আশরাফ, নিউ ইয়র্ক থেকে
বাংলাদেশের মানুষের মতো নিউ ইয়র্ক-প্রবাসী বাঙালিরাও এখন ব্যস্ত গাজীপুর নির্বাচনের চুলচেরা বিশ্লেষণ নিয়ে৷ বাংলাদেশের রাজনীতিতে ছোট-বড় সব ঘটনার খবরই রাখেন তারা৷ এসব নিয়ে তর্ক-বিতর্কও করেন দেশে থাকা লোকজনের মতোই৷ তাদের আলোচনা-সমালোচনা আর তর্ক-বিতর্ক এখন গাজীপুর সিটি করপোরেশন নিবার্চনের ফলাফল নিয়ে৷ দুদিন আগেও জমজমাট আলোচনা চলেছে ওয়াশিংটন টাইমসে ছাপানো বিরোধী দলের নেত্রী খালেদা জিয়ার একটি লেখা, এ নিয়ে জাতীয় সংসদে দুই নেত্রীর বিতর্ক, বাংলাদেশের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের জিএসপি-সুবিধা বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং এ ব্যাপারে সরকার, খালেদা জিয়া ও ড. মুহাম্মদ ইউনূসের দায় নিয়ে৷ এর কিছুদিন আগে প্রবাসী বাঙালিরা ব্যস্ত ছিলেন পরপর কয়েকজন নারী সংসদ সদস্যের অশোভন উক্তি নিয়ে ৷ তারও আগের বিষয় ছিল আরও চারটি সিটি করপোরেশনের নিবার্চন ৷ বাংলাদেশের রাজনীতির কোনো কিছুই বাদ যায় না এখানে৷ রাজনীতি নিয়ে আলোচনা লেগেই আছে ৷ যেমন ঢেঁকি স্বর্গে গেলেও ধান ভানে৷ বাঙালি নিউ ইয়র্কে গেলেও রাজনীতি নিয়ে প্যাঁচাল  পারে ৷ তবে তফাত একটা আছে৷ দেশে থাকলে কাজকর্ম ফেলে দিয়ে প্যাঁচাল পারে কিন্তু বিদেশে গেলে কাজকর্ম শেষে, আগে বা কাজের ফাঁকে এই কাজটা করে৷ পরপর পাঁচটি সিটি করপোরেশনের নিবার্চনে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর পরাজয় ৷ শাসকদলের টানা পতন আর বিরোধী দলের টানা উত্থান নিয়ে এখন সরগরম নিউ ইয়র্কে বাংলাদেশি সমপ্রদায় ৷ বিএনপির নেতৃত্বে ১৮ দলের বিজয়ে যেমন উল্লসিত হচ্ছেন এই জোটের সমর্থকেরা, তেমনি হতাশায় ডুবে যাচ্ছেন আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মহাজোটের ভক্ত-অনুসারীরা৷ রাজশাহী, সিলেট, খুলনা, বরিশালের পর গাজিপুরেও শাসকগোষ্ঠীর ভরাডুবির কারণ নিয়ে যে যার মতো মন্তব্য করছেন ৷ বিএনপির টানা বিজয়ে এই দলের সমর্থকেরা খুশি হলেও বিএনপির সাথে জামায়াত-হেফাজতের পুনরুত্থান নিয়ে অনেকেই চিন্তিত৷ একইভাবে আওয়ামী লীগের ভরাডুবিতে মন খারাপ করলেও মেনে নিতে পারছেন না অনেকেই ৷ আওয়ামী লীগের দ্বিতীয় ঘাঁটি বলে পরিচিত গাজীপুরে এমন পরাজয়ের জন্য দলের লোকজনকেই দায়ী করছেন অনেকে ৷ গত প্রায় পাঁচ বছরে মহাজোট সরকারের নানা ব্যর্থতা-অপকীর্তির পাশাপাশি, দলটির নীতিনির্ধারক, বিশেষ করে দলনেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সমালোচনাও করছেন কেউ কেউ ৷ দলের কিছু কিছু নেতার অতিকথন ও দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্যের কঠোর সমালোচনা করতেও ছাড়ছেন না তারা ৷ স্থানীয় পর্যায়ে দলের ভেতরের কোন্দল-বিরোধের কথাও উঠে আসছে পরাজয়ের বড় একটি কারণ হিসেবে ৷ এক কথায়, বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে যে যার মতো কথা বলছেন, মত দিচ্ছেন, ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ করছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা ৷ একই রকম চর্চা হচ্ছে ফেসবুকেও৷ সেখানে কেউ কেউ জনগণকেও দোষারূপ করছেন৷ তাদের গালমন্দও করছেন অতিশয় ক্ষুব্ধ সমর্থকেরা৷ সবই পরাজয়ের কষ্ট থেকে৷ আওয়ামী লীগের সমর্থক-শুভাকাঙ্ক্ষীরা দলের জন্য নানা পরামর্শও দিচ্ছেন ৷ চাটুকারদের কথা না শোনা, মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা উপলব্ধি করা, দলের পুরোনো, পরীক্ষিত ও নিবেদিতপ্রাণ নেতা-কর্মীদের সঠিক মূল্যায়নের পরামর্শও দিচ্ছেন তারা আগামী জাতীয় নিবার্চনে একই রকম পরিণতির হাত থেকে বাঁচার জন্য ৷
আওয়ামী লীগের নৌকাডুবিতেও ভালো কিছু খুঁজে পাচ্ছেন কেউ কেউ৷ এটাকে একটা সতর্কবাণী হিসেবেই দেখছেন তারা ৷ যেসব কারণে নৌকা তলিয়ে যাচ্ছে, সেসব কারণ খতিয়ে দেখে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে পারলে আগামী জাতীয় নিবার্চনে আওয়ামী লীগ ভালো করবে-এমনটাও আশা করছেন তারা ৷ এ নিয়ে একটা ষড়যন্ত্রতত্ত্বও আছে ৷ অনেকের আশঙ্কা-স্থানীয় নিবার্চন বা ক্ষমতা বদল না হওয়ার নিবার্চনেবিরোধী দলকে জিততে দেওয়া একটা ফাঁদ৷ বর্তমান সরকারের অধীনেই সুষ্ঠু নিবার্চন হওয়া সম্ভব-শাসকদলের এই দাবিকে প্রতিষ্ঠা করাই এর লক্ষ্য ৷ স্থানীয় নিবার্চনে বারবার জিতে বিরোধী দল যেন শাসকদলের ফাঁদে পা দেয়, সেই চেষ্টাই হচ্ছে বলে বিশ্বাস করেন অনেকে৷ অর্থাত্‍ বৃহত্তর স্বার্থে ছোট স্বার্থগুলো জলাঞ্জলি দিচ্ছে শাসকগোষ্ঠী ৷ এই সবই রাজনীতির অতি সাধারণ হিসাব-নিকাশ৷ সরকার ও বিরোধী দল তো বটেই, সাধারণ মানুষও এসব ভালোই বোঝে৷ ছলচাতুরী করে পার পাওয়ার রাজনীতি আজকাল খুব একটা কাজে লাগে না৷ মানুষ এখন অনেক বেশি সচেতন৷ যদিও রাজনীতিবিদেরা এখনো তাদের বুদ্ধিমত্তাকে খাটো করে দেখেন৷ আসলে তারা নিজেরাই যে খাটো, সেটা বুঝতে পারেন না ৷
এবার আসল কথায় আসি৷ ক্ষমতার শেষভাগে এসে বাংলাদেশের একটি শাসকদলের যা করার কথা, তা-ই করছে আওয়ামী লীগ৷ অন্যদিকে জনগণ সেই দলের সাথে যেই আচরণ করার কথা, তা-ই করছে৷ ভালো-মন্দ যা-ই করুক, পাঁচ বছর ক্ষমতার থাকার পর কোনো দলকে দেশের বেশির ভাগ মানুষ ভালো বলবে, এটা কোন নিবোর্ধও বলবে না ৷ অনেক ভালো কাজের সাথে অনেক খারাপ কাজও করেছে মহাজোট সরকার৷ ভালো কাজ আলোচনায় আসে না, আসে খারাপটা৷ খারাপ কাজেরও তো অভাব নেই৷ বিশেষ করে, শেষবেলায় এসে সব তালগোল পাকিয়ে ফেলেছে৷ এমনটাই হয়, এমনটাই হওয়ার কথা, এমনটাই হয়ে থাকে৷ সব শাসকদলই এটা করে থাকে ৷ এ আর নতুন কী! নব্বইয়ের গণ-অভু্যত্থানের পর দুবার বিএনপি ও দুবার আওয়ামী লীগ একই ঘটনা ঘটিয়েছে৷ কোন না বিষয় নিয়ে বাড়াবাড়ি করেছে বিদায়বেলায় এসে৷ সরকার ও বিরোধী দলে বড় দুটি দলের ভূমিকার তফাত খুব বেশি চোখে পড়ে না ৷ শাসন, অপশাসন, শোষণ, দুর্নীতি, লুটপাট, নির্যাতন-নিপীড়নের খতিয়ান কারও চেয়ে কারও কম নয়৷ পুরোনো হলেও একটা কথা আবারও বলা দরকার সেটা হচ্ছে, আওয়ামী লীগ বা বিএনপি কোনো দলই নিজগুণে নিবার্চনে জেতেনি গত ২৩ বছরে৷ বিপক্ষ দলের ব্যর্থতাই এ দুটি দলকে বারবার ক্ষমতায় এনেছে ৷ একটি দল যখন ক্ষমতায় গিয়ে জনগণকে অতিষ্ঠ করে ফেলে, তখন সেই দলের হাত থেকে বাঁচতে মানুষ মরিয়া হয়ে ওঠে৷ এই মরিয়ার হওয়ার কারণেই তখন তারা আরেকটি দলকে বেছে নেয় ৷ সেই বাছাইয়ের সময় তারা ভুলে যায় বিকল্প দলটি পাঁচ বছর আগে একই কাজ করেছিল৷ যার হাত থেকে বাঁচতে তারা একইভাবে মরিয়া হয়ে পড়েছিল৷ তা ছাড়া বাঙালি তো ক্ষমার জাতি, ভোলা জাতি৷ তারা সবকিছুই ভুলে যায়, ক্ষমাও করে দেয়৷ তবে ভুলে যাওয়া বা ক্ষমা করে দেওয়ার আরও একটা কারণ আছে৷ সেটা খুবই গুরুত্বপূ্র্ণ৷ একটি দল ক্ষমতায় এসে এর আগে ক্ষমতায় থাকা দলটির চেয়ে অনেক বেশি অপকর্ম করে৷ তখন জনগণ মনে করে, কম অপকর্ম করা দলটিই ভালো ছিল৷ আর এভাবেই জনগণ একবার আওয়ামী লীগ, আরেকবার বিএনপিকে ক্ষমতায় আনে ৷ এক দল আসে আরেক দল যায়, কিন্তু জনগণের ভাগ্যের বদল হয় না৷ প্রশ্ন উঠতে পারে, এই দুটি দল কি জনগণের জন্য কিছুই করছে না? নিশ্চয় করছে৷ না করলে দেশটা চলছে কীভাবে? অনেক সমস্যার মাঝেও দেশটা তো এগোচ্ছে৷ অনেক ক্ষেত্রেই অনেক উন্নতি হচ্ছে৷ এই উন্নতির জন্য অবশ্য সরকারের চেয়ে বেসরকারি খাত ও সাধারণ মানুষের অবদানই বেশি ৷
আমাদের দুর্ভাগ্য আমরা আওয়ামী-বিএনপির খপ্পর থেকে বের হতে পারছি না ৷ তৃতীয় কোনো শক্তির উত্থানও হচ্ছে না ৷ বরং নানা সময় কিছু অপশক্তির উত্থানের চেষ্টা হয়েছে৷ সেটাও জনগণই ঠেকিয়েছে ৷ সেই সুযোগটাই আবার নিয়েছে আওয়ামী-বিএনপি চক্র৷ আওয়ামী লীগ-বিএনপি মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ-এ কথা সবাই বোঝে৷ তবু যেন তাদের কোনো উপায় নেই, তারা এক রকম অসহায় ৷ দুই দল বা দুই নেত্রী বা দুই পরিবারের হাত থেকে বাংলাদেশ মুক্তি পাবে আল্লাহই জানেন৷ দল দুটির নেতা-কর্মী ও তাদের চামচা-চেলাদের বাদ দিলে ক্ষমতায় কোন দলটি থাকল, তাতে সাধারণ মানুষের কিছুই যায় আসে না ৷ এবার আসা যাক বড় দল দুটির শরিকদের কথায়৷ আওয়ামী লীগের সাথে স্বৈরাচারের দল জাতীয় পার্টি আর বিএনপির সাথে রাজাকারদের দল জামায়াতকে নিয়ে রাজনীতিতে অনেক কথা হয়েছে, হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও হবে নিশ্চয় ৷ জাপা-জামায়াতের মতো রাজনৈতিক অপশক্তিকে নিয়ে বড় দুটি দলের নোংরামিও নতুন কিছু নয়৷ এদের ছাড়া যেন এই দল দুটি অচল৷ শত নিন্দার মাঝেও ভোটের হিসাব করে অপশক্তি ছাড়তে নারাজ কোনো দলই ৷ বরং অপশক্তিদের সাথে রাখতে ও সাথে পেতে তাদের মধ্যে রীতিমতো প্রতিযোগিতা চলে ৷ রাজাকার-স্বৈরাচার নিয়ে ঘর করতে তাদের লজ্জা-শরমের বালাই নেই৷ কারণ একটাই, যেকোনো মূল্যে ক্ষমতায় গিয়ে লুটেপুটে খাওয়া৷
দুনিয়া উল্টে না গেলে আওয়ামী-বিএনপির ক্ষমতা অদল-বদলের কাহিনি বদল হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই ৷ যদি না থাকে তবে আগামী নিবার্চনেআবারও বিএনপি জিতবে এবং ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় এবার আরও বেশি অপকর্ম করবে তারা৷ আর যদি আওয়ামী লীগ টানা দ্বিতীয়বারের মতো নিবার্চিত হয় (বাংলাদেশের বাস্তবতা সেটা বলে না ৷ বিএনপির মতো ‘৯৬ স্টাইলে নিবার্চন  করলে মেয়াদ কত দিন হবে, সেটাও তো প্রমাণ হয়ে গেছে), তবে আগের চেয়ে দ্বিগুণ নয়, কমপক্ষে চার গুণ অপকর্ম করবে, এতে কোনো সন্দেহ নেই৷ আওয়ামী লীগের ব্যর্থতায় বিএনপি ক্ষমতায় ফিরে আসবে-এটা নিয়ে খুব একটা চিন্তা-দুশ্চিন্তার কারণ নেই৷ দুশ্চিন্তার কারণে হলো, বিএনপির সাথে জামায়াতও ক্ষমতায় ফিরে আসবে৷ আগেরবার জামায়াতের ক্ষমতায় আসা আর এবার আসার মধ্যে আকাশ-পাতাল বেশ-কম হবে৷ অনেকের আশঙ্কা, আগামী দিনে ১৮-দলীয় জোট ক্ষমতায় এলে সবকিছু ঠিক করবে জামায়াত, বিএনপি বা অন্য কোনো দল নয়৷ এর আলামত তারা সরকারবিরোধী আন্দোলনেই দেখিয়েছে ৷ ‘৭১-এ মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য দলের শীর্ষ নেতাদের বিচার, মহাজোট সরকারের আমলে দলের ওপর নানা রকম চাপ-তাপ ও নিযার্র্তন এবং সরকার ও রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সশস্ত্র আন্দোলনে দলের চরম দুরবস্থা-এই সবকিছুরই একটা বিপরীত ও সমান প্রতিক্রিয়া জামায়াত দেখাবে, এটাই স্বাভাবিক ৷ ক্ষমতার বাইরে থেকেও জামায়াত-শিবির দেশে-বিদেশে কত রকমের খেলাই না দেখাল৷ ক্ষমতায় গেলে যে কী করবে, একমাত্র আল্লাহ মালুম ৷ জামায়াতের অস্তিত্ব রক্ষার সংগ্রামে ইসলামি জঙ্গির যে উত্থান ঘটেছে, তার খেসারত দিতে হবে কেবল আওয়ামী লীগকেই নয়, বিএনপিকেও ৷ কারণ, ক্ষমতার রাজনীতিতে বিএনপি তাদের লালন-পালন করছে নিজেদের মিত্র হিসেবে ৷ এই শক্তি কিন্তু বিএনপিকেও ছাড়বে না৷ এরা কোনো গণতান্ত্রিক শক্তির মিত্র হতে পারে না ৷ রাজাকারদের বিচার করতে গিয়ে নোংরা রাজনীতি করার খেসারত আওয়ামী লীগকে দিতেই হবে৷ আসলে দেওয়া শুরু করেছে৷ দুধকলা দিয়ে সাপ পুষলে তার ছোবলেই মারা যেতে হয়-এটা বিএনপির জন্য সতর্কবাণী ৷ আর আওয়ামী লীগ নানা কূটকৌশলে একই সাপকে নিয়ে খেলা করেছে ৷ আবার সেই সাপকে মেরে ফেলার চেষ্টাও করেছে৷ আসলে মেরে ফেলতে চায়নি, আঘাত করেছে কুমতলব নিয়ে ৷ সাপকে না মেরে আহত করলে, সেই সাপের ছোবলে মারা যাওয়ার আশঙ্কা অনেক বেশি থাকে ৷
জামায়াতের নতুন সংস্করণ হেফাজতে ইসলাম যা কিছু বলছে ও করছে, তাতে বিএনপির খুশি হওয়ার কোনো কারণ নেই৷ ‘তেঁতুল হুজুর’ নামে পরিচিতি পাওয়া হেফাজত নেতা আল্লামা আহমেদ শফি নারীদের সম্পর্কে যে কথা বলেছেন, তা কি খালেদা জিয়া ও শেখ হাসিনাসহ বাংলাদেশের প্রায় আট কোটি নারীর জন্য সম্মানের? এই নারীদের স্বামী, ভাই বা বাবাদের জন্যও কি অপমানকর নয়? জঙ্গিবাদের উত্থান ও এর কুফল সম্পর্কে আওয়ামী লীগ-বিএনপি তথা শেখ হাসিনা-খালেদা জিয়া যদি সচেতন না হন, তবে তারাসহ গোটা জাতিকেই এর চরম মূল্য দিতে হবে ৷

 

 


আপনাদের মতামত দিন:


সকল খবর
চলমান প্রচ্ছদ