কালোটাকা বিনিয়োগের সুযোগ আবাসন খাতের জন্য সরকারের প্রণোদনা | সময় বিচিত্রা
কালোটাকা বিনিয়োগের সুযোগ আবাসন খাতের জন্য সরকারের প্রণোদনা
ইয়াসমিন আরা
p3

ফ্ল্যাট ও জমিতে বিনিয়োগ করে কালোটাকা সাদা করার সুযোগ দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। আবার রিয়েল এস্টেট ডেভেলপারদের বিনিয়োগে উৎসে করও কমছে। সম্প্রতি আবাসিকে গ্যাস-সংযোগ চালুর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সব মিলিয়ে আবাসন খাতকে প্রণোদনা দিতেই বাজেটে এমন ঘোষণা দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। ফলে আবাসন খাতে সুদিন ফিরবে বলে আশা করছেন খাত-সংশ্লিষ্টরা।

অর্থমন্ত্রীর বাজেট ঘোষণায় আবাসন ব্যবসায়ীদের দীর্ঘদিনের দাবির মুখে অপ্রদর্শিত অর্থ জরিমানা দিয়ে এসব অর্থ আবাসন খাতে বিনিয়োগ করা যাবে। অপ্রদর্শিত আয়ে যে করহার প্রযোজ্য, তার সঙ্গে ১০ শতাংশ অর্থাৎ আয়ের আড়াই শতাংশ জরিমানা দিয়ে তা বিনিয়োগ বা বৈধ করা যায়।

অর্থমন্ত্রী তার বাজেট বক্তৃতায় আবাসন ব্যবসায়ীদের জন্য আরও সুখবর দিয়েছেন। রিয়েল এস্টেট ডেভেলপারদের বিনিয়োগে উৎসে করহার কমছে। গতকাল অর্থমন্ত্রী তার বাজেট বক্তৃতায় এ করহার কমার ঘোষণা দেন। খাত-সংশ্লিষ্টরা এ ঘোষণাকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখছেন।

এ বিষয়ে আবাসন ব্যবসায়ীদের সংগঠন রিহ্যাবের সাধারণ সম্পাদন মো. ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, ‘আবাসন খাতে অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগের প্রস্তাবনা দিয়ে আসছিলাম। এবারের বাজেটে তার প্রতিফলন দেখা গেছে। একই সাথে উৎসে কর কমানোর প্রস্তাবও এ খাতের জন্য অবশ্যই ইতিবাচক। অপ্রদর্শিত আয় বিনিয়োগ ও কর কমানোর সুযোগে এ খাতে যে স্থবিরতা চলছিল তা একটু হলেও কমবে।’

বাড়ি বা ফ্ল্যাট গুলশান, বনানী, বারিধারা, মতিঝিল, দিলকুশা এলাকায় ২০০ বর্গমিটার পর্যন্ত প্রতি বর্গমিটারে করহার নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার টাকা। আর ২০০ বর্গমিটারে ওপর প্রতি বর্গমিটার করা হার নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ হাজার টাকা। ধানমন্ডি, ডিওএইচএস, মহাখালী, লালমাটিয়া, উত্তরা, বসুন্ধরা, ক্যান্টনমেন্ট, করাওয়ান বাজার, বিজয়নগর, সেগুন বাগিচা, নিকুঞ্জ, চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ, খুলশি, আগ্রাবাদ ও নাসিরাবাদ এলাকায় প্রতি ২০০ বর্গমিটারে করহার নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ হাজার টাকা আর ২০০ বর্গমিটারের ওপর করহার নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার টাকা।

অন্যান্য সিটি করপোরেশন এলাকায় ২০০ বর্গমিটারের জন্য ২ হাজার টাকা একং এর ওপরে ৩ হাজার টাকা। জেলা সদরের পৌরসভা এলাকায় এই হার যথাক্রমে ২ হাজার টাকা ও ৩ হাজার টাকা। জেলা সদরের পৌরসভার জন্য এই হার ১ হাজার টাকা ও ১ হাজার ৫০০ টাকা। উপজেলাসহ অন্যান্য এলাকায় ৭৫০ টাকা ও ১ হাজার টাকা। আর একাধিক বাড়ি ও ফ্ল্যাটের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত প্রতি ২০০ বর্গমিটারে ২০ শতাংশ এবং ২০০ বর্গমিটারের ঊর্ধ্বে হলে অতিরিক্ত ২০ শতাংশ হারে কর দিতে হবে।

প্লট ও জমি ক্রয়ের ক্ষেত্রেও করহার পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। প্লট ও জমির মূল্যের ওপর ১০ শতাংশ হারে কর প্রদান করতে হবে। একাধিক প্লট বা জমির ক্ষেত্রে এই হার হবে ২০ শতাংশ।

অর্থমন্ত্রী তার বাজেট বক্তৃতায় উল্লেখ করেন, ‘জনবহুল এ দেশে সকলের জন্য আবাসন নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম চ্যালেঞ্জ। এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকার নিজস্ব উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি উদ্যোগকে উৎসাহিত করতে নানাবিধ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। বর্তমানে স্থবির আবাসন খাতে অধিকতর গতিশীলতা আনতে ফ্ল্যাট, বাড়ি, জমি ক্রয় প্রভৃতি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে এলাকাভিত্তিক নির্দিষ্ট হারে কর প্রদানসাপেক্ষে বিনিয়োগের সুযোগ প্রদানের প্রস্তাব করছি।’

আবাসন খাত দীর্ঘদিন ধরেই মন্দার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে যে ফ্ল্যাট বিক্রি প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে যাওয়ায় লোভনীয় ছাড়ের প্রস্তাব দিয়েও ক্রেতাদের কাছ থেকে সাড়া মিলছিল না। অর্থনৈতিক মন্দা, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, শেয়ারবাজারে ধস এর মূল কারণ বলে ধরা হয়। খাত-সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, গত জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত বুকিং বাতিলের ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় উদ্যোক্তাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। শীর্ষ আবাসন প্রতিষ্ঠানগুলোতেও বেড়েছে আগের চেয়ে বুকিং বাতিলের হার। তবে প্রস্তাবিত বাজেটে এ খাতের জন্য যে ছাড় দেওয়া হয়েছে, তাতে সুদিন ফেরার ইঙ্গিত প্রবল।

ব্যাংকিং খাতে তারল্যসংকট, ঋণে নেতিবাচক মনোভাব ও গ্যাস-বিদ্যুতের অভাবে গত কয়েক বছরে বিপর্যস্ত অবস্থার মধ্যে পড়ে এ শিল্প খাত। আগের বছরের তুলনায় গত বছর অর্ধেকে নেমে আসে অ্যাপার্টমেন্ট বিক্রি। চলতি বছর এটি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করবে বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা। সম্প্রতি আবাসিকে গ্যাস-সংযোগ চালু করা হলেও খুব শিগগির এর প্রভাব পড়বে না বলে জানিয়েছেন খাত-সংশ্লিষ্টরা। তবে নতুন সংযোগ চালু থাকলে আগামী বছর তার সুফল পাওয়া যাবে। এ কারণে আবাসন খাতের ব্যবসায়ীরা বাজেটের আগে তাদের বেশ কিছু সুপারিশ জানিয়েছিলেন। উৎসে কর কমানো তার মধ্যে অন্যতম ছিল।

গত বছরের ২২ জানুয়ারি এক প্রজ্ঞাপনে বাংলাদেশ ব্যাংক গৃহনির্মাণ খাতে ঋণ-মার্জিন অনুপাত ৭০:৩০ নির্ধারণ করে দেয়। অর্থাৎ বাড়ির ৭০ শতাংশ পর্যন্ত ঋণ বিতরণ করবে ব্যাংক। বাকি ৩০ শতাংশের জোগান দিতে হবে বাড়ির মালিককে। এরপর অনুৎপাদনশীল খাত হিসেবে আবাসনে ঋণ দেওয়ার ব্যাপারে নিরুৎসাহিত করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। গত বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত এ খাতে ঋণের পরিমাণ ১৮ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে ৫৫৮ কোটি টাকাই খেলাপি। বিক্রি কমে যাওয়ায় ব্যাংকের টাকা শোধ করতে পারছে না অ্যাপার্টমেন্ট ব্যবসায়ীরা। কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ খাতকে ঝুঁকিপূর্ণ আখ্যা দেওয়ায় নতুন ঋণেও উৎসাহিত হচ্ছে না ব্যাংক। আগ্রহ থাকলেও ফ্ল্যাট কিনতে পারছেন না গ্রাহকেরা। এতে আবাসন ব্যবসায়ীদের সংকট আরও বাড়ছে।

এদিকে অন্য আর এক ঝুঁকিতে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে আবাসন খাতের। অননুমোদিত ও ঝুঁকিপূর্ণ ভবন নির্মাণে ঋণ দিলেই ওই ব্যাংকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ইতোমধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান অনমনীয় মনোভাব সার্কুলার এবং সম্প্রতি তার বক্তব্যের মাধ্যমেও জানিয়ে দিয়েছেন। তিনি জানান, অননুমোদিত কোনো ভবনে প্রত্যক্ষ-পরোক্ষভাবে আর একটি টাকাও বিনিয়োগ নয়। এর পরও কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠান কিংবা ব্যাংকের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগের প্রমাণ মিললে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের প্রধান নিবার্হীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ারও হুঁশিয়ারি দেন তিনি। অনিয়ম করে যেসব ব্যাংক অনুমোদনহীন ভবন নির্মাণে অর্থায়ন করেছে, ব্যাংক কোম্পানি আইনে তাদের জরিমানা করা হতে পারে।

অর্থনীতির বৃহত্তর খাত আবাসন যেভাবে সাফল্যের ধারায় পথ চলছিল, বর্তমানে সেখান থেকে অনেক দূরে পিছিয়ে গেছে। গ্যাস-বিদ্যুতের অভাবে ২৫ হাজার ফ্যাট অবিক্রীত রয়ে গেছে। বিক্রীত ফ্যাটগুলো সঠিক সময়ে হস্তান্তর করা যাচ্ছে না। ফলে, সৃষ্ট রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার অর্থনৈতিক মন্দায় এ খাতে বিনিয়োগ থমকে গেছে। প্রতিষ্ঠানগুলো এ খাতে অর্থায়ন থেকে হাত গুটিয়ে নিয়েছে। অর্থনৈতিক সংকট কাটিয়ে প্রবৃদ্ধি বাড়ানোর জন্য আবাসন খাতের উন্নয়নই একটি দেশের জন্য যথেষ্ট। আবাসন খাতের উন্নয়নে সহজ শর্তে ব্যাংকঋণের সুবিধা দিতে হবে, সিটি করপোরেশন ও জেলা শহরের সব তফসিলি ব্যাংকের শাখায় একটি নির্ধারিত পরিমাণ অর্থ আবাসন খাতের জন্য রাখতে হবে। ৯ শতাংশ ইন্টারেস্টের হোমলোন এখন ১৮ শতাংশ করা হলো। এরপর ঋণ দেওয়া বন্ধ করা হলো, অথচ বিদেশে আবাসন খাতে ব্যাংকঋণের সুদ ৪ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ৬ শতাংশ।

২০১১ সালে অ্যাপার্টমেন্ট বিক্রির পরিমাণ ছিল ১৫ হাজার ২০টি। আর গত বছর বিক্রি হয়েছে ১২ হাজারের মতো। চলতি বছরের প্রথম চার মাসে বুকিং বাতিলের হার বাড়তে থাকায় বিক্রির হার ভয়ংকরভাবে হ্রাস পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ব্যাংকঋণ স্বাভাবিক না হলে এ খাতের ঘুরে দাঁড়ানোর কোনো সম্ভাবনা নেই বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। গত বছর স্ট্রেস টেস্টিং রিপোর্টে চারটি খাতকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসাবে আখ্যায়িত করে বাংলাদেশ ব্যাংক। আবাসন খাত এর একটি। এর পর থেকে এ খাতে ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগ আরও কমতে থাকে বলে জানান খাত-সংশ্লিষ্টরা। তবে বর্তমান পরিস্থিতির জন্য ডেভেলপারদের অসুস্থ প্রতিযোগিতা ও জমিমালিকদের একচেটিয়া দৌরাত্ম্যের প্রভাব আছে বলেও মনে করেন কেউ কেউ।

আবাসন খাতের সঙ্গে জড়িয়ে আছে প্রায় ২৫ লাখ শ্রমিক। এ ছাড়া রড, সিমেন্ট, ইট, বালু, গ্লাস, আসবাবসহ অনেক সহযোগী শিল্প এ খাতের ওপর নির্ভরশীল। ইতোমধ্যেই বিভিন্ন খাতে আবাসনশিল্পের মন্দার প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। একই সঙ্গে সরকারের রাজস্ব আয় কমছে। এ কারণে আবাসন খাতের মন্দা ঠেকানো জরুরি বলে মনে করছেন এ খাতের উদ্যোক্তারা।

যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য বিভাগ জানিয়েছে, গত বছরের তুলনায় এ বছরের আবাসন খাতের অর্জন এসেছে ২৬ শতাংশ। গত বছর যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে ভূমিকা রাখে আবাসন খাত। অথচ আমাদের দেশে এ খাতে সব দিক থেকে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হচ্ছে। আবাসন খাতে গ্যাস, বিদ্যুৎ, ব্যাংকঋণ এবং বৈধভাবে উপার্জিত অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগের সুযোগ দিলে আগামী এক বছরের মধ্যে দেশের অর্থনীতির আমূল পরিবর্তন হবে বলে এ খাতের ব্যবসায়ীরা আশাবাদী।

স্থানীয়ভাবে ঘরবাড়ি নির্মাণই নয়, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট এবং রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধিতেও এই খাতের অবদান রয়েছে। সরকার ঘোষিত ডিটেইলড এরিয়া প্ল্যান বা ড্যাপ বাস্তবায়নের খড়গ, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) নানাবিধ নীতির কারণে এ শিল্পে এ ধরনের স্থবিরতা বিরাজ করছে।

দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে ১৫ ভাগ অবদান রেখেও নানামুখী সমস্যায় জর্জরিত হাজার হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগকৃত দেশের আবাসনশিল্প খাত। ঢাকাসহ বিভিন্ন শহরে দৈনন্দিন জনসংখ্যা বৃদ্ধির চাপ এবং জমির পরিমাণ কমে যাওয়ায় বিপুলসংখ্যক অধিবাসীর জন্য মৌলিক সুবিধা নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছেন বেসরকারি আবাসনশিল্প মালিকেরা। শুধু বাসস্থান নিশ্চিত করাই নয়, বিপুলসংখ্যক কর্মসংস্থানও সৃষ্টি করেছে এই খাত। ফলে, দিনে দিনেই সম্ভাবনাময় হয়ে উঠছে আবাসনশিল্প।

তবে এবারের বাজেটে আবাসন খাতে বিনিয়োগে টাকার কোনো উৎস জানা হবে না বলে অর্থ আইন ২০১৩-তে বলা হয়েছে। আয়কর অধ্যাদেশের ১৯ (ই) ধারা সংশোধন করে এই সুযোগ দেওয়া হয়েছে। ‘বিশেষ সুযোগ’ হিসেবে এবার এলাকাভেদে ফ্ল্যাট অথবা প্লট কিনতে নির্দিষ্ট হারে কর দিয়ে টাকা সাদা করা যাবে বলে বাজেট প্রস্তাবে জানান অর্থমন্ত্রী।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক হিসাব অনুযায়ী, দেশের জিডিপির ৪০ থেকে ৬০ শতাংশই কালোটাকা। আর চলতি ২০১২-১৩ অর্থবছরে জিডিপির আকার ধরা হয়েছে ১০ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। এ হিসাবে দেশে মোট অপ্রদর্শিত সম্পদের পরিমাণ ৪ লাখ ১৫ হাজার ২০০ কোটি টাকা থেকে ৬ লাখ ২২ হাজার ৮০০ কোটি টাকা বা সমমূল্যের সম্পদ। এ অপ্রদর্শিত সম্পদের কিছু অংশ যদি আবাসন খাতে বিনিয়োগ করা হয়, তাহলে এ খাতের সুদিন ফিরতে বেশি দিন অপেক্ষা করতে হবে না।


আপনাদের মতামত দিন:


সকল খবর
চলমান প্রচ্ছদ